শুক্রবার, ১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা থেকে বিচ্ছিন্ন ৪০ লাখ গ্রাহক

ক্রাইম রিপোর্ট ডেস্ক


রাজধানীর মহাখালীতে খাজা টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪০ লাখের বেশি গ্রাহক ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছে। শুক্রবার (২৭ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি) এর সভাপতি ইমদাদুল হক।

তিনি জানান, ঘটনাস্থল থেকে যন্ত্রপাতি সরানোর অনুমতি না দিলে ইন্টারনেট সেবা পুরোপুরি সচল হতে এক সপ্তাহ লাগতে পারে।

এদিকে খাজা টাওয়ারে সেফটি প্ল্যান ছিল না বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন। ভবনটিতে দাহ্য পদার্থ বেশি থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলেও জানান তিনি। বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) রাতে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ফায়ার সার্ভিসের ডিজি বলেন, এই ভবনে ব্যাটারি আছে, স্টোরস, ক্যাবেল, সুইচেস, আইসোলেসন ফোম এবং ১২ ও ১৩ তলাতে ইন্টেরিয়র দিয়ে খুব সুসজ্জিত করা। যা আগুনের বিশেষ উপাদান। খাজা টাওয়ার ভবনটিতে সেফটি প্ল্যান ছিল না। ভবনটিতে দাহ্য পদার্থ বেশি ছিল, সে কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে যায়।



 

ভবনের কয় তলা থেকে আগুন লেগেছে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগুন লাগার দুটি মত আছে। কেউ বলছেন চারতলা থেকে ৯, ১০ ও ১১ তলায় দ্রুত ছড়িয়ে গেছে। আবার কেউ বলছে ১১ তলা থেকে আগুনের সূত্রপাত। তবে যখন আমরা তদন্ত শেষ করব তখন বলা যাবে কোথায় থেকে এবং কী কারণে আগুনের সূত্রপাত। আপাতত মনে হচ্ছে কোনো বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে হয়ত আগুন লেগেছে।

তিনি আরও বলেন, এই এলাকায় একটি ফায়ার সার্ভিসের টহল গাড়ি ছিল। প্রথম গাড়ি হিসেবে টহল গাড়িটি অগ্নিনির্বাপণ কাজ শুরু করে। এর পরবর্তীতে একে একে ১১টি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে কাজ করে। ফায়ার সার্ভিসের অত্যাধুনিক তিনটি সর্বোচ্চ টিটিএল ব্যবহার করা হয়েছে।প্রায় দেড় শতাধিক ফায়ার ফাইটার এই অগ্নিকাণ্ডে কাজ করে। সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‍্যাব ও আনসারসহ সবাই আমাদের সঙ্গে কাজ করেছে।

Comments are closed.

More News Of This Category